Knowledge & Science/ ঞ্জান ও বিঞ্জান

উন্নতি না আত্মপ্রতারনা?

Posted on

১।এটা প্রায়ই খব গর্ব করে দাবি করা হয়, একুশ শতকে মানুশ অনেক এগিয়ে গেছে, অনেক উন্নত হয়েছে, তবে স্থান-কাল-পাত্র ভেদে এগিয়ে যাওয়া কিংবা উন্নতি –এই শব্দুগুলোর অর্থ খুব একটা পরিষ্কার না, এই শব্দগুলো খুবই বিমূর্ত অর্থ প্রকাশ করে।
যেমন, বিবর্তনবাদের চোখ দিয়ে দেখলে সাদারা কালোদের থেকে উন্নত, কারণ সাদারা নাকি কালোদের থেকে বেশি বিবর্তিত! এই থিওরিটি বিক্রি করে উনবিংশ এবং বিংশ শতাব্দীতে ইউরোপিয়ান জাতিগুলো সাম্রাজ্যবাদের যা ধারা সূচনা করেছিল তার লাগাম আজ আমেরিকার হাতে। মারামারি করে যে বা যারা টিকে থাকতে পারে তারাই সেরা- এটাই এই থিওরির সোজাসাপ্টা কথা। এই থিওরি এখন না চললেও ভিন্ন আঙ্গিকে, ভিন্ন মতবাদে কিন্তু একই উদ্দেশ্যে সাম্রাজ্যবাদ রয়ে গেছে, শুধু নাম হয়েছে “war on terror”Read the rest of this entry »

বিবর্তনের সত্যাসত্য-মুজাহিদ রাসেল

Posted on

বিংশ শতাব্দীর সাড়াজাগানো বিষয় বিবর্তনবাদ যা মুলত বস্তুবাদী মতাদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত, বিজ্ঞান নামে চালিত এক প্রকারের অপবিজ্ঞান।প্রাচীন গ্রীক যুগ থেকেই এ ধরনের চিন্তাচেতনা কিছু দার্শনিকের দ্বারা প্রকাশিত হলেও মুলত উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে ডারউইনের বই the origin of species by means of natural selection এর মাধ্যমে পূর্ন বিকশিত হওয়ার সুযোগ লাভ করে।ডারউইন বিবর্তনবাদের main factor হিসেবে natural selection বা প্রাকৃতিক নির্বাচনকে দেখান।এটা এমন নয় যে ডারউইন ই প্রথমে প্রাকৃতিক নির্বাচনের কন্সেপ্ট দেন। Read the rest of this entry »

জীবনের প্রতি বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করা এবং এর ক্ষতিকর দিকসমূহ

Posted on

লেখক : সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান
অনবাদ : মুহাম্মদ মানজুরে ইলাহী

জীবনের প্রতি দু‘টো দৃষ্টিভঙ্গি প্রচলিত রয়েছে। একটি হলো বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি অপরটি হলো সঠিক (ইসলামী) দৃষ্টিভঙ্গি। এ উভয় দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাব মানব জাতির মধ্যে পরিলক্ষিত হয়।

বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও এর অর্থ:

বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি হলো- মানুষের সমস্ত চিন্তা-চেতনা পার্থিব ও তাৎক্ষণিক ভোগ-বিলাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা এবং সকল চেষ্টা সাধনা ও পরিশ্রম কেবল এ উদ্দেশ্যেই ব্যয় করা। Read the rest of this entry »

পদার্থ নাকি স্রষ্টা?

Posted on

যা মানুষের জীবনের সবচেয়ে মৌলিক প্রশ্ন। একজন চিন্তাশীল মানুষ স্বাভাবিক ভাবে এই প্রশ্নের সমাধান চায়।সে মানবজাতি, জীবন ও মহাবিশ্ব নিয়ে চিন্তা করে এবং একটি সঠিক সমাধানে পৌছাতে চায়।
যুগ যুগ ধরে এই বিষয়গুলো উত্তর দিতে গিয়ে অনেক দর্শনের জন্ম হয়েছে।তার মধ্যে অন্যতম একটি মতবাদ কার্ল মার্ক্সের দ্বান্ধিক বস্তুবাদ(dialectical materialism)।এই দর্শন আমাদের কাছে একটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছে,তা হল- মহাবিশ্বের চরম উৎস কোনটি,পদার্থ নাকি স্রষ্টা?” Read the rest of this entry »

বোকা বানানো তত্ত্ব ও স্টিফেন হকিং তত্ত্ব- মুজাহিদ রাসেল

Posted on

প্রত্যেক যুগেই একদল মানুষ নিজেকে ধর্মের বাঁধন থেকে মুক্ত রাখতে চেয়েছে।আজকের যুগেও বাস্তবিক অবস্থা খুব একটা পরিবর্তিত হয়নি।এখনো মানুষ নিজেকে এ ধর্ম নামক শিকল থেকে মুক্ত করতে চায়।মুক্ত স্বাধীন হতে চায় ধর্মের দেয়াল থেকে। ধর্ম অস্বীকারকারীরা একে কারাগার বলে, স্বাধীনতা হরনকারী হিসেবে আখ্যা দিলেও আমি ধর্মকে বিশাল গিরিখাতের সামনে একটু সুউচ্ছ Read the rest of this entry »

জ্ঞানের উত্স এবং ব্যাখ্যা – জাফর শেখ ইদ্রীস

Posted on

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। তাঁর জন্যই সকল প্রশংসা। সালাত ও সালাম মহান রাসূল, আল্লাহর হাবীব ও মানবতার মুক্তিদূত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের উপর।

মুসলমানদের জ্ঞানের উৎস দুটি।

  • ১. আল্লাহ’র ওহী।
  • ২. আল্লাহ’র সৃষ্টি।

এক্ষেত্রে আমরা বস্তুবাদী, নাস্তিক ও যারা কোন বিশ্বস্ত গ্রন্থ পায়নি তাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করি। তাদের জন্য একমাত্র জ্ঞানের উৎস এই পৃথিবী, আল্লাহ তাআলার সৃষ্টিকুল। Read the rest of this entry »