Social Problems

সালাম-মুসাফাহা সংক্রান্ত প্রচলিত ভুল

Posted on

এটিহাদীসনয়

যে ব্যাক্তি আগে সালাম দিবে সে ৯০ সওয়াব পাবে, আর যে উত্তর দিবে সে ৩০ সওয়াব (অথবা ১০) পাবে।- উপরোক্ত কথাটি প্রসিদ্ধ হলেও হাদীসের কিতাবে তা খুঁজে পাওয়া যায়না। হাদীসে এব্যাপারে যা বর্ণিত আছে তার সারকথা হল, সালামের প্রতিটি বাক্যের বিনিময়ে দশটি করে সওয়াব পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে একটি হাদীস নীম্নে দেওয়া হলঃ

“এক ব্যাক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, আসসালামু আলাইকুম। তিনি সালামের উত্তর দিলেন। তারপর লোকটি বসল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ১০ সওয়াব । এরপর আরেক ব্যাক্তি আসল এবং বলল, আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালামের উত্তর দিলেন। তারপর লোকটি বসল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ২০ সওয়াব । অর্থাৎ সে সালামের বিনিময়ে ২০টি সওয়াব পাবে। এরপর আরেক ব্যাক্তি আসল এবং বলল, আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ ওয়াবারাকাতুহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালামের উত্তর দিলেন। তারপর লোকটি বসল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ৩০ সওয়াব। অর্থাৎ সে সালামের বিনিময়ে ৩০টি সওয়াব পাবে.” সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ৫১৯৫; জামে তিরমিযী, হাদীস ২৬৮৯।

এ বিষয়ের অন্যান্য হাদীস জানার জন্য দেখা যেতে পারে- আততারগীব ওয়া্ততারহীব, /৪২৮৪২৯; রিয়াদুস সালিহীন, /২৫২২৬৫। [মাসিক আল কাউসার, এপ্রিল-২০০৫, পৃষ্ঠা-২৫] এবং [মাসিক আল কাউসার, মে-২০০৮, পৃষ্ঠা-৩৫]  

 

একটিভুলআমাল

সালামের উত্তর প্রদানের ক্ষেত্রে “ওয়াবারাকাতুহু” এর পরে অনেকে “ওয়ামাগফিরাতুহু/ ওয়া জান্নাতু” বা এ জাতীয় অন্য বাক্য বৃদ্ধি করে থাকে। – এটি একটি ভুল আমাল। পূর্ণ সালাম হল আস্‌সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু এবং পূর্ণ উত্তর হল ‘ওয়া আলাইকুমুস্‌সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু’। সালামের সাথে ‘ওয়াবারাকাতুহু’ এর পরে আরো অতিরিক্ত কিছু সংযোজন করতে হাদীসে নিষেধ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, কোন কোন বর্ণনায় ‘ওয়াবারাকাতুহু’ এর পরে কিছু বাড়ানোর কথাও আছে। কিন্তু সেগুলো সনদের বর্ণনা সূত্রের নিরিখে সহীহ নয়। সুতরাং ‘ওয়াবারাকাতুহু’ এর পরে নিজ থেকে কিছু বাড়ানো ঠিক নয়। – সূরা হুদতাফসীরে কুরতুবী /৭১; তবারানী, আওসাত, হাদীস ৭৮৬; মাজমাউয যাওয়ায়েদ /৭০; মিরকাত শরহে মিশকাত /৫৫, আদ্দুরুল মুখতার /৪১৫; আমালুল ইয়াওমি ওয়াল্লাইলা ১১৭ [মাসিক আল কাউসার, আগস্ট -২০০৬, পৃষ্ঠা-৩০] এবং [মাসিক আল কাউসার, সেপ্টেম্বর -২০০৮, পৃষ্ঠা-৩৩]     

 

আমাদেরদেশেঅনেককেইদেখাযায়তারাবিদায়েরসময়বাচলেযাওয়ারসময়খোদাহাফেয (বাআল্লাহহাফেয)বলেথাকে।বিদায়েরসময়এটাবলাকিঠিক? বিদায়েরসময়েরসুন্নতআমালকী?

— সাক্ষাতের সময় যেমন সালাম দেয়া সুন্নত, তেমনি বিদায়ের সময়ও সালাম দিয়ে বিদায় নেওয়া সুন্নত। এসম্পর্কে একাধিক হাদীস আছে। যেমন হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন- “ যখন তোমাদের কেউ কোন মজলিসে পৌঁছবে তখন সালাম দিবে। যদি অনুমতি পাওয়া যায় তবে বসে পড়বে। এরপর যখন মজলিস ত্যাগ করবে তখনও সালাম দিবে। কারন প্রথম সালাম দ্বিতীয় সালাম অপেক্ষা অধিক গুরুত্বপুর্ন নয়। অর্থাৎ উভয়টির গুরুত্ব সমান.” – জামে তিরমিযী /১০০

সুতরাং বিদায়ের সময়ও ইসলামের আদর্শ এবং সুন্নত হল সালাম দেয়া। তাই সালামের স্থলে বা এর বিকল্প হিসেবে ‘খোদা হাফেয’ (বা আল্লাহ হাফেয) বা এ জাতীয় কোন কিছু বলা যাবেনা। অবশ্য সালামের আগে পৃথক ভাবে দুয়া হিসেবে  ‘খোদা হাফেয’ (বা আল্লাহ হাফেয) বলা দোষের কিছু নেই।

আরো দেখা যেতে পারে, শুআবুল ইমান /৪৪৮; সুনানে আবু দাউদ ১৩/৭০৭; মিন আদাবিল ইসলাম, শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহঃ ১৩; ইমদাদুল ফাতাওয়া /৪৯১। [মাসিক আল কাউসার, মার্চ-২০০৫, পৃষ্ঠা-২৮]

 

সালামদেওয়ারএকটিভুলপদ্ধতি

বিভিন্ন সভা-সমাবেশে বক্তৃতা করার ক্ষেত্রে দেখা যায় বক্তাগণ মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে সূদীর্ঘ বন্দনার অবতারনা করার পর সালাম দেন। এ রীতিটি ভুল। যেমন বলে থাকেন, “মঞ্চে উপবিষ্ট শ্রদ্ধেয় সভাপতি, মাননীয় পরিচালক, মান্যগণ্য অমুক অমুক সাহেব ও আমার শ্রোতাবন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম।“ নিয়ম হল শ্রোতাদের মুখোমুখি হওয়ার সাথে সাথে সালাম দেওয়া। সাক্ষাতের নিয়মাবলির ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম সালামের কথাই বলা হয়েছে। [মাসিক আল কাউসার, মে-২০০৫, পৃষ্ঠা-৩৫]   

 

প্রশ্নঃ দুজন মহিলার পরস্পর সাক্ষাতে সালাম ও মুসাফাহা করার বিধান আছে কি?

সালাম মুসাফাহার বিধান শুধু পুরুষের জন্য নয়। এগুলো যেমন দুজন পুরুষের পরস্পর সাক্ষাতের সময় সুন্নত তেমনি দুজন মহিলার বেলায়ও সুন্নত। সহীহ বুখারী /৯১৯, /৯২৬, ফাতহুল বারী ১১/৫৭; আদ্দুরুল মুখতার /৩৬৮। [মাসিক আল কাউসার, ফেব্রুয়ারি-২০০৬, পৃষ্ঠা-২৭]

 

একটিভুলরীতি

কোন কোন মানুষকে সালাম বা মুসাফাহার পর নিজ বুকে হাত রাখতে দেখা যায়। এটি একটি ভুল রীতি। একাজটিকে যদি সালাম-মুসাফাহার সুন্নত নিয়মের অংশ মনে করা হয় তাহলে এটি বিদআত; আর এমনি করা হলে এটা একটা অনর্থক কাজ। মহব্বতের প্রকাশ তো সালাম-মুসাফাহার মাধ্যমেই হয়ে গেল। বাড়তি কিছুর তো প্রয়োজন নেই। মোটকথা এটি সংশোধন যোগ্য। [মাসিক আল কাউসার, এপ্রিল -২০০৬, পৃষ্ঠা-৩৭]

ইসলামের দৃষ্টিতে “ভ্যালেন্টাইন’স ডে” বা “ভালবাসা দিবস”

Posted on

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি ও কল্যাণ বর্ষিত হোক তাঁর সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এঁর ওপর, তাঁর পরিবার এবং সাহাবীগণের ওপর, এবং সেই সকল লোকদের ওপর, কিয়ামত পর্যন্ত যারা সত্যের পথ অনুসরণ করবে ৷

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন বা জীবন-ব্যবস্থা হিসেবে বাছাই করেছেন এবং তিনি অন্য কোন জীবন-ব্যবস্থা কখনও গ্রহণ করবেন না, তিনি বলেন:
“এবং যে কেউই ইসলাম ছাড়া অন্য কোন জীবন-ব্যবস্থা আকাঙ্খা করবে, তা কখনোই তার নিকট হতে গ্রহণ করা হবে না, এবং আখিরাতে সে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের একজন ৷” (সূরা আলে ইমরান, ৩:৮৫)

এবং নবী(সা.) বলেছেন, এই উম্মাতের মধ্যে কিছু লোক বিভিন্ন ইবাদতের প্রক্রিয়া ও সামাজিক রীতিনীতির ক্ষেত্রে আল্লাহর শত্রু দের অনুসরণ করবে ৷ আবু সাঈদ আল খুদরী(রা.) বর্ণিত যে রাসূলুল্লাহ(সা.) বলেন:

“তোমরা অবশ্যই তোমাদের পূর্ববর্তীদের অনুসরণে লিপ্ত হয়ে পড়বে, প্রতিটি বিঘৎ, প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্যে [তাদের তোমরা অনুসরণ করবে], এমনকি তারা সরীসৃপের গর্তে প্রবেশ করলে, তোমরা সেখানেও তাদেরকে অনুসরণ করবে ৷” আমরা বললাম, “হে রাসূলুল্লাহ ! তারা কি ইহুদী ও খ্রীস্টান?” তিনি বললেন: “এছাড়া আর কে?” (বুখারী, মুসলিম) Read the rest of this entry »

ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের বিধান

Posted on

লেখক: শায়খ ড. সালেহ ইবনে ফাওযান আল ফাওযান

 

সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, কল্যাণ ও শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের নবীজী মুহাম্মাদ(সঃ) এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর।

কুরআন এবং সুন্নাহতে খুব স্পষ্টভাবে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের নির্দেশাবলী অনুসরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং ধর্মীয় ব্যাপারে নতুন কিছু সূচনা করাকে স্পষ্টত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন:

ভাবার্থ:

“বলুন [হে নবী]: যদি তোমরা সত্যিই আল্লাহকে ভালবাস, তবে আমার অনুসরণ কর, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন এবং তোমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।” (সূরা আলে ইমরান, ৩:৩১) Read the rest of this entry »

জন্ম নিয়ন্ত্রণ ও ইসলামের বিধান – Family planning in Islam-Bangla

Posted on

জন্ম নিয়ন্ত্রণ আন্দোলনের পটভূমি :

জন্ম নিয়ন্ত্রণ (Birth control) আন্দোলন আঠারো শতকের শেষাংশে ইউরোপে সূচনা হয়। সম্ভবত: ইংল্যান্ডের বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ম্যালথাসই (Malthus) এর ভিত্তি রচনা করেন। এ আন্দোলনের আসল উদ্দেশ্য হ’ল বংশ বৃদ্ধি প্রতিরোধ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চহার দেখে মি. ম্যালথাস হিসাব করেন, পৃথিবীতে আবাদযোগ্য জমি ও অর্থনৈতিক উপায়-উপাদান সীমিত। কিন্তু বংশবৃদ্ধির সম্ভাবনা সীমাহীন। ১৭৯৮ সালে মি. ম্যালথাস রচিত An essay on population and as it effects, the future improvment of the society. (জনসংখ্যা ও সমাজের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে এর প্রভাব) নামক গ্রন্থে সর্বপ্রথম তার মতবাদ প্রচার করেন। এরপর ফ্র্যান্সিস প্ল্যাস (Francis Place) ফরাসী দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রতিরোধ করার প্রতি জোর প্রচারণা চালান। কিন্তু তিনি নৈতিক উপায় বাদ দিয়ে ঔষধ ও যন্ত্রাদির সাহায্যে গর্ভনিরোধ করার প্রস্তাব দেন। আমেরিকার বিখ্যাত ডাক্তার চার্লস নোল্টন (Charles knowlton) ১৮৩৩ সালে এ প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন সূচক উক্তি করেন। তিনি তার রচিত The Fruits of philosophy নামক গ্রন্থে সর্বপ্রথম গর্ভনিরোধের চিকিৎসা শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা এবং এর উপকারের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। Read the rest of this entry »

নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, বন্ধুত্ব বা সহাবস্হানের ব্যাপারে ইসলামের হুকুম

Posted on

মুল বই: আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্ব, লেখক: আব্দুল হামিদ ফাইযী, লিসান্স মদীন বিশ্ববিদ্যালয়।

সংহ্মিপ্ত পরিচিতি: এখানে ইসলামের আলোকে নিচের বিষয়গুলিকে বিশ্লেষন করা হয়েছে-

১. দেবর-ভাবি, শালি-বুনাই, ডাক্তার-নার্স, তথা নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা ও কথোপকথন

২. মহিলাদের একাকী সফর করা

৩. স্বামীর অবর্তমানে স্ত্রীর সাথে  গম্য আত্মীয় বা অন্য পুরুষের গমন বা সাহ্মাত Read the rest of this entry »

কারবালার ঘটনা / কি ঘটেছিল কারবালায়? কারা হুসাইন (রা:) কে হত্যা করেছে?

Posted on

কারবালার ঘটনা সম্পর্কে জানেনা এমন লোক আমাদের সমাজে খুব একটা পাওয়া যাবে না। এমনকি আল্লাহ ও তার রাসুল (সাঃ) সম্পর্কে অথবা ঈমান/তাওহীদ সম্পর্কে জানেনা কিন্তু কারবালা নিয়ে রংচঙা একটা লেকচার দিতে পারবে এমন মুসলিম ও অনেক পাওয়া যাবে। কিন্তু এমন লোক কতজন পাওয়া যাবে যারা মীর মোশাররফের রুপকথা অথবা শিয়া’দের ষড়যন্ত্র বিবর্জিত এবং কোরআন সুন্নাহর মানদন্ডে উত্তীর্ন এবং তাবে-তাবেঈ বা তফসীরকারকদের বর্ননা থেকে প্রাপ্ত সত্য ঘটনাটি জানে? তাই, সস্তা আবেগকে পুজি করে রচিত ষড়যন্ত্রকারীদের মিথ্যা রটনার উপর বিশ্বাস করে ঈমান আকীদাহ কে হুমকির মুখে ফেলে না দেওয়া মুসলিম ভাইদের জন্য রচিত সত্য ও তথ্যভিত্তিক এই পোষ্টটি সত্যর সাহ্ম দেওয়া প্রতিটি মুসলিম ভাইকে সত্য বুঝতে সাহায্য করবে, মহান আল্লাহপাকের কাছে এই দোয়া করছি, আমীন।

১) ভূমিকা:

 প্রশংসা মাত্রই আল্লাহর জন্য, যিনি বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), তাঁর পরিবার এবং সকল সাহাবীর উপর।

সৌভাগ্যবান শহীদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দৌহিত্র সায়্যেদ হেসাইন বিন আলী (রা:)এর কারবালার প্রান্তরে শহীদ Read the rest of this entry »

ইসলামের পুনর্জাগরন অথবা ক্রান্তিলগ্ন- মুহাম্মদ আসাদ (বারবার পড়ার মত যে বইটি)

Posted on

বিসমিল্লাহির রাহমানি রাহিম।

আস সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু

বইখানা ১৯৩৪ সালে লেখা । অনেকের কাছেই ইসলামের উপর পড়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ১০টি বইয়ের একটি হবে এই বইটি। এই বইয়ে বহু প্যারাগ্রাফ আছে, যা থেকে কোন বুদ্ধিদীপ্ত পাঠক চাইলেই একটা গোটা পুস্তক রচনা করতে পারবেন অনায়াসে। কোন “ইসলামী ভাব সম্প্রসারণের” আয়োজনে, চাইলে, এই বইটির শত শত বাক্যকে ব্যবহার করা যেত। যাহোক আমরা ইনশাআল্লাহ এই বই থেকে কেবল কিছু অত্যন্ত সীমিত সংখ্যক নির্বাচিত প্যাসেজ আলোচনা করবো – excerpts বলতে পারেন। Read the rest of this entry »